कुछ बातें जो सबको पता होना चाइये भारत मे

औरते पीरियड्स के दौरान मंदिर मे पैर नहीं रख सकती।

लड़का अपने से कम कमाने वाली लड़की से ही शादी करता है।

घर के दो बच्चो मे से एक इंजीनियर या डॉक्टर तो बनेगा ही बनेगा।

कितनी भी अच्छी नौकरी क़र लो या खुश रह लो पर लोग तुम्हे सेटल शादी करने के बाद ही मानेंगे।

एक तरफ़ा रोड को भी दोनों तरफ देख क़र पार करना पड़ता है।

रोड पर आप किस नहीं क़र सकते पर सरे आम मूत जरूर सकते हो।

रिश्तेदार बस नाक मे दम करने के लिए ही होते है।

साल भर पोल्लुशण को ले क़र रो सकते है पर दिवाली पर सब जायज है।

मंगलवार और गुरुवार को नॉन वेज नहीं खाना है।

आई फोन वाले लोग अमीर ही होते है।

নন্দীতনরক ! Kolome- Sampurna Saha ! Bangla Golpo

খুব সুরেলা রিংটোনটা বেজে উঠল দিয়ার ফোনে।🎶🎶🎶
ওর আর রাজীবের মিষ্টি একটা ছবি ভেসে ওঠে ফোনের স্ক্রিনে....রাজীব কলিং.....
দিয়া- হুম বল।
রাজীব- লাঞ্চ ব্রেকে একবার অফিসের ব্যালকনিতে আসিস তো।
দিয়া- কেন রে?এনিথিং সিরিয়াস!!
রাজীব- কেন আমার কাছে আর আসতে ইচ্ছে করে না, তাই না?আমাদের ঐ বসকে তোর খুব মনে ধরেছে,কী ভাবিস তুই আমি কিচ্ছু বুঝি না!!
দিয়া- ওফ্ রাজীব! আবার এসব শুরু করলি তুই।আমি তো কথার কথা বললাম।সারাদিন কাজের চাপে জীবন বেরিয়ে যাচ্ছে আর তোর এই রকম কথা।কী পাস বলতো এমন করে।যা হোক আমি ব্যস্ত এখন,লাঞ্চ ব্রেকে দেখা হচ্ছে।
ফোনটা রেখে দেয় দিয়া।দিন দিন রাজীব কেমন যেন হয়ে যাচ্ছে...চিন্তার ভাঁজ পড়ে দিয়ার কপালে।
মনে পড়ে যায়...এই তো সেদিন এর কথা।কলেজের একটা অনুষ্ঠানের জন্য একটি নাটকে নায়িকার চরিত্রে দিয়াকে অভিনয় করতে বলা হয়।আর রিহার্সাল করতে গিয়ে দেখা হয় কোঁকড়া চুল,ফর্সা গায়ের রঙ আর ছিপছিপে চেহারার এই ছেলেটাকে।ওর বিপরীত চরিত্রে অভিনয় করছিল।পরে জানতে পারে ছেলেটার নাম রাজীব,ইকনমিক্স ডিপার্টমেন্ট।
এই নাটকের চরিত্রে অভিনয় করতে গিয়েই ওদের কাছে আসা।পরে প্রেম বিনিময়।
প্রথম থেকেই রাজীব দিয়ার সাথে আর কাউকে সহ্য করতে পারত না।দিয়ার বন্ধুদের সাথে কথা বললেও অশান্তি করত।প্রথম প্রথম ব্যাপারটাকে গুরুত্ব না দিলেও পরে দিয়া দেখেছে ব্যাপারটা বাড়াবাড়ি পর্যায়ে পৌঁছেছে।রাজীবকে এই নিয়ে বোঝাতে গেলেই রাজীব কেমন অসহায় এর মতো ওকে জড়িয়ে ধরে বলত; কী করব বল...আমি যে তোর সাথে আর কাউকে সহ্য করতে পারি না।মাঝেমাঝে ইচ্ছে করে সেই আদি পৃথিবীতে ফিরে যাই,সেখানে তুই হবি আমার ইভ,আর আমি আদম।আমি ছাড়া তোকে আর কেউ দেখবে না।
কেমন একটা মায়া হত দিয়ার ওকে দেখে,কিছু আর বলতে পারত না।
তারপর কলেজ শেষ হতেই ওরা দু’জনেই একই অফিসে চাকরী পেল।
এখন তো রাজীবের এই রোগটা আরও বেড়ে গেছে।কথায় কথায় গায়ে হাত তোলে এখন।আবার পরে ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা চায়।
হঠাৎ চিন্তায় ছেদ পরে দিয়ার।ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখে লাঞ্চ ব্রেক শুরু হয়ে গেছে । মনে পরে রাজীব ওকে ব্যালকনিতে দেখা করতে বলেছে।
উঠে দাঁড়ায় ও।
দিয়া ব্যালকনিতে গিয়ে দেখে রাজীব আগের থেকেই অপেক্ষা করছে।ও যেতেই ওর ওপর প্রায় ঝাঁপিয়ে পড়ে রাজীব।হাতটা জোরে চেপে ধরে।দিয়ার কাঁচের চুড়ি গুলো ভেঙ্গে গিয়ে হাত কেটে রক্ত পড়তে থাকে ওর।
দিয়া- আঃ লাগছে আমার।ছাড় রাজীব! কী করছিস তুই।
রাজীব- লাগছে!তাই না??আমারও ঠিক এতটাই লাগছিল,আজকে মিটিংয়ে বস যখন তোর বুকের দিকে ওভাবে তাকিয়েছিল।কতবার বলেছি তোকে যে শার্টের একটা বাটন ও খুলে রাখবি না।খুব ভালো লাগে ক্লিভেজ দেখিয়ে ছেলেদের আকর্ষন করতে?
(আর থাকতে পারে না দিয়া,চেঁচিয়ে ওঠে )
দিয়া- বেশ করেছি।তোর রুচি যদি এত নিম্নমানের হয় তবে আমার কিছু করার নেই।
(সপাটে একটা চড় এসে পড়ে দিয়ার গালে।)
চলে যায় রাজীব।দিয়া একা দাঁড়িয়ে কাঁদতে থাকে।
**************************
টিংটং....সেদিন সন্ধ্যায় দিয়ার ফ্ল্যাটের কলিং বেল বেজে ওঠে।দরজা খুলে দেখে রাজীব দাঁড়িয়ে।
দিয়া- আয় বাবু,ভিতরে আয়।
(ভেতরে ঢুকেই রাজীব দিয়াকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকে।)
দিয়া- আরে পাগল,কাঁদছিস কেন?আমার কিচ্ছু হয়নি দেখ।তুই সোফায় বোস।আমি কফি করে নিয়ে আসি।
রাজীব- কোথাও যেতে হবে না তোকে।তুই বোস আমার কাছে।তুই আমাকে কেন সহ্য করিস দিয়া?কেন ছেড়ে যাস না।অন্য কাউকে বিয়ে করতে পারিস তো!
দিয়া- তোকে ছাড়া যে আমি থাকতে পারবো না।কালকে আমরা এক সাইক্রিয়াটিস্ট এর কাছে যাব।তুই ঠিক হয়ে যাবি দেখিস।
রাজীব- কিছু করতে হবে না,কালকের পর থেকে আর কোনো অভিযোগের সুযোগই দেব না তোকে।আমাকে ক্ষমা করিস রে।আমার যে আর কোনো উপায় নেই।আমি তোকে আমার সাথে থেকে কষ্ট পেতে দেখতে পারব না।
দিয়া- কী সব বলছিস তুই?আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না।
রাজীব - কিছু বুঝতে হবে না।দ্যাখ তোর ফেভারিট লাল রঙের ড্রেস কিনে এনেছি আমি।সাথে লাল লিপস্টিক আর নেইল পলিশ ও কিনেছি তোর জন্য ।আজকে সারারাত তোকে আদরে আদরে ভরিয়ে দেব।যা ড্রেসটা পড়ে আয়।তারপর আমি নিজে তোকে নেইল পলিশ আর লিপস্টিকটা পড়িয়ে দেব।
ড্র্রেস চেঞ্জ করে আসে দিয়া।রাজীব নিজে ওকে নেইল পলিশ আর গাঢ় লাল লিপস্টিকটা পড়িয়ে দেয়।
রাজীব- আজ তোকে অপূর্ব লাগছে।ঠিক যেন আমার ইভ।
দিয়া- তাই নাকি আদম বাবু...
কথা শেষ হয় না দিয়ার,তার আগেই দিয়ার ঠোঁটে নিজেকে ডুবিয়ে দেয় রাজীব। আদম আর ইভ এর মতই উদ্দাম সঙ্গমের আদি খেলায় মেতে ওঠে তারা।
************************
পরের দিন সকালে ওই ফ্ল্যাট থেকে একটি ছেলে আর একটি মেয়ের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
পোস্টমর্টেম রিপোর্ট এ মেয়েটির ঠোঁটের লিপস্টিকে বিষের নমুনা পাওয়া যায়।
ঐ একই বিষ পাওয়া যায় ছেলেটির শরীরেও।

কলমে ~ Sampurna Saha's

Comments